নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মির্জা মামুদ খাল পুনরায় খনন করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো), যা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় তিন বছর আগে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) খালটি খনন করলেও আবারও একই খালে খনন কাজ শুরু করা হয়েছে।
পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, খালটির ৪ দশমিক ৮৫০ কিলোমিটার অংশ খননে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা। অথচ ২০২২ সালে বিএডিসি প্রায় ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে খালটির ৪ কিলোমিটার অংশ খনন করেছিল। এ কারণে প্রকল্পটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে নাটোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের ব্যানারে খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এবং নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য আবদুল আজিজ।
পাউবো সূত্রে জানা যায়, খালটির নন্দকুঁজা নদী অংশ থেকে মরা বড়াল নদী পর্যন্ত খনন করা হবে। খালের বর্তমান তলদেশ থেকে ৪ ফুট গভীর ও ৬ ফুট প্রস্থে খনন করার পরিকল্পনা রয়েছে। রংপুরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইউনাইটেড ব্রাদার্স কাজটি বাস্তবায়ন করছে।
অন্যদিকে বিএডিসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে দুইটি কার্যাদেশের মাধ্যমে খালটির ৪ কিলোমিটার অংশ খনন করা হয়। এতে প্রায় ৪২ হাজার ৩৯০ ঘনমিটার মাটি উত্তোলন করা হয় এবং খালের গভীরতা ছিল ১০ থেকে ১১ ফুট, যা খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনে।
বড়াইগ্রাম বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী মো. জিয়াউল হক বলেন, খালটি বর্তমানে পুনরায় খননের প্রয়োজন নেই। কৃষকরা এই খালের পানি ব্যবহার করে চাষাবাদসহ বিভিন্ন কাজে উপকৃত হচ্ছেন। তার অভিযোগ, অযাচিতভাবে এবং নিয়ম বহির্ভূতভাবে অধিক ব্যয়ে একই খাল পুনরায় খনন করা হচ্ছে, যা সরকারি অর্থের অপচয় হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, খাল খননের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অন্য নাব্যতা হারানো খালে বাস্তবায়ন করা হলে তা বেশি উপযোগী হতো।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাটোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রিফাত করিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এমদাদ হোসেন বলেন, তিনি নতুন দায়িত্বে এসেছেন এবং খালটি আগে বিএডিসি খনন করেছে এ বিষয়ে তিনি অবগত নন। প্রকল্প ব্যয়ের বিষয়েও তাদের কাছে বিস্তারিত তথ্য নেই।
এদিকে, খাল খনন কাজের উদ্বোধনের সময় একই খাল পুনরায় খনন প্রশ্নে জাতীয় সংসদের হুইপ নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘স্বৈরাচার সরকারের আমলে কোনো খাল খনন হয়নি। হয়েছে শুধু অনিয়ম-দুনীতি। খাল খনন হয়েছে কাগজে কলমে বাস্তবে হয়নি। এই খালটির খনন কাজ আমরা মনিটর করবো। কোনো রকম অনিয়ম করতে দেবো না।’
পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, খালটির ৪ দশমিক ৮৫০ কিলোমিটার অংশ খননে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা। অথচ ২০২২ সালে বিএডিসি প্রায় ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে খালটির ৪ কিলোমিটার অংশ খনন করেছিল। এ কারণে প্রকল্পটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে নাটোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের ব্যানারে খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এবং নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য আবদুল আজিজ।
পাউবো সূত্রে জানা যায়, খালটির নন্দকুঁজা নদী অংশ থেকে মরা বড়াল নদী পর্যন্ত খনন করা হবে। খালের বর্তমান তলদেশ থেকে ৪ ফুট গভীর ও ৬ ফুট প্রস্থে খনন করার পরিকল্পনা রয়েছে। রংপুরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইউনাইটেড ব্রাদার্স কাজটি বাস্তবায়ন করছে।
অন্যদিকে বিএডিসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে দুইটি কার্যাদেশের মাধ্যমে খালটির ৪ কিলোমিটার অংশ খনন করা হয়। এতে প্রায় ৪২ হাজার ৩৯০ ঘনমিটার মাটি উত্তোলন করা হয় এবং খালের গভীরতা ছিল ১০ থেকে ১১ ফুট, যা খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনে।
বড়াইগ্রাম বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী মো. জিয়াউল হক বলেন, খালটি বর্তমানে পুনরায় খননের প্রয়োজন নেই। কৃষকরা এই খালের পানি ব্যবহার করে চাষাবাদসহ বিভিন্ন কাজে উপকৃত হচ্ছেন। তার অভিযোগ, অযাচিতভাবে এবং নিয়ম বহির্ভূতভাবে অধিক ব্যয়ে একই খাল পুনরায় খনন করা হচ্ছে, যা সরকারি অর্থের অপচয় হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, খাল খননের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অন্য নাব্যতা হারানো খালে বাস্তবায়ন করা হলে তা বেশি উপযোগী হতো।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাটোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রিফাত করিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এমদাদ হোসেন বলেন, তিনি নতুন দায়িত্বে এসেছেন এবং খালটি আগে বিএডিসি খনন করেছে এ বিষয়ে তিনি অবগত নন। প্রকল্প ব্যয়ের বিষয়েও তাদের কাছে বিস্তারিত তথ্য নেই।
এদিকে, খাল খনন কাজের উদ্বোধনের সময় একই খাল পুনরায় খনন প্রশ্নে জাতীয় সংসদের হুইপ নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘স্বৈরাচার সরকারের আমলে কোনো খাল খনন হয়নি। হয়েছে শুধু অনিয়ম-দুনীতি। খাল খনন হয়েছে কাগজে কলমে বাস্তবে হয়নি। এই খালটির খনন কাজ আমরা মনিটর করবো। কোনো রকম অনিয়ম করতে দেবো না।’
নাটোর প্রতিনিধি: